শুরুতে একটা জীবন পেলেন, এরপর জুহেইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা তুললেন ঝড়। তার আগ্রাসী ফিফটির পর দ্রুত কিছু উইকেট হারালেও শারমিন আক্তার সুপ্তা নিরাপদে দলকে নিলেন জয়ের ঠিকানায়।
বার্হিংহ্যামের এজভাস্টনে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে প্রত্যাশিতভাবেই ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে অধিনায়ক বাবেট ডে লেডের ফিফটিতে ১৩৯ রান করেছিলো ডাচরা। জবাবে জুহেইরিয়ার ৩৩ বলে ৫০ রানের ইনিংসে ভর করে ৫ বল আগে ম্যাচ জিতে নেয় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
জুহেইরিয়ার ফিফটির পাশাপাশি সুপ্তার ৩২ বলে ৩৭ রানের ইনিংসেরও মূল্যও অনেক।
১৪০ রান তাড়ায় ৯ রানে ক্যাচ দেওয়া জুহেরিয়া বাঁচেন টিভি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে। এরপর দিলারা আক্তারকে এক পাশে রেখে তুলেন ঝড়। থিতু হতে কয়েকবল নিলেও নিমিষেই তা পুষিয়ে দেন বড় শটে।
বাংলাদেশের এই ডানহাতি ব্যাটার পাওয়ার প্লেতে দলকে শক্ত অবস্থানে নেওয়ার পর ছক্কায় স্পর্শ করেন ফিফটি। স্লগ সুইপে ফিফটির দেখা পাওয়ার ঠিক পরের বলেই আউট হয়ে যান তিনি। ৩৩ বলের ইনিংসে ৭ চারের সঙ্গে ২ ছক্কা মারেন জুহেইরিয়া।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে আগের আসরগুলোতে স্রেফ ৩ জয় ছিলো টাইগ্রেসদের। চতুর্থ এই জয়ের ভিত বানাতে ভূমিকা রেখেছেন পেসার মারুফা আক্তার, রিতু মনি, ফারিহা তৃষ্ণারা। মারুফা ৩২ রানে ২ আর তৃষ্ণা ৩১ রানে পান ১ উইকেট। রিতু মনি মিডিয়াম পেসে স্রেফ ১৭ রান দিয়ে নেন ১উইকেট। উইকেট পেয়েছেন স্পিনাররাও।
রান তাড়ায় জুহেইরিয়ার ঝড়ো ইনিংসের পর ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। বিনা উইকেটে ৬৭ থেকে ৮৫ রানে পড়ে ৪ উইকেট। এরমধ্যে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ফেরেন প্রথম বলেই।
প্রবল চাপ তৈরি হওয়ার পর হাল ধরেন সুপ্তা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ে সব সংস্করণ মিলিয়ে সেরা ব্যাটার ঠান্ডা মাথায় সামলান পরিস্থিতি।
এদিন টস জিতেছিলো ডাচরাই। আগে ব্যাট করতে শুরুতেই উইকেট হারায় তারা। ৩৬ রানের ভেতর দুই ওপেনারকে তুলে নেন মারুফা-ফারিহা। তিনে নামা ডে লেড এক পাশ ধরে খেললেও বাকিরা ছিলেন ব্যর্থ। শেষ দিকে ডে লেড আত্মঘাতি রান আউটে থামলে নেদারল্যান্ডসের ইনিংস নাগালের বাইরে যায়নি।
