Thursday, October 1, 2026
Homeখেলাঅস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরিয়ে ভারতের রেকর্ডময় জয়

অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরিয়ে ভারতের রেকর্ডময় জয়

২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার ৪ উইকেটে ৪৩৪ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ৪৩৮ রান করে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ানডেতে চারশ ছাড়ানো রান তাড়া করে জয়ের নজির এতদিন ছিল কেবল এই একটিই। এবার অধিনায়ক শুবমান গিলের অপরাজিত ডাবল সেঞ্চুরি ও রোহিত শর্মার সেঞ্চুরিতে চড়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে তালিকাটিতে নাম লেখাল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭ উইকেটে ৪০৫ রানের জবাবে স্রেফ ২ উইকেট হারিয়ে ৪০৬ রান তুলে জিতল তারা।

বুধবার গুয়াহাটিতে রান উৎসবের ম্যাচে ৮ উইকেটের অনায়াস জয় পেয়েছে স্বাগতিক ভারত। টস হেরে আগে ব্যাট করে জন ক্যাম্পবেল, অধিনায়ক শেই হোপ ও আমির জাঙ্গুর সেঞ্চুরির সুবাদে সফরকারী ক্যারিবিয়ানদের গড়া বিশাল পুঁজি তারা পেরিয়ে গেছে ৩৯ বল হাতে রেখে। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই রেকর্ড গড়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে দলটি।

বলাই বাহুল্য, এই সংস্করণে ভারতের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড এটি। আগের কীর্তিটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ২০১৩ সালে জয়পুরে অজিদের ৫ উইকেটে ৩৫৯ রানের জবাবে স্রেফ ১ উইকেট খুইয়ে ৩৬২ রান করে ৯ উইকেটের ব্যবধানে জিতেছিল তারা। সেদিন সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে অপরাজিত ছিলেন রোহিত ও বিরাট কোহলি।

ভারতের এই ঐতিহাসিক জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন বিস্ফোরক ব্যাটিং উপহার দেওয়া গিল। ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি। মাত্র ১১৭ বলে দ্বিশতক ছুঁয়ে তিনি একাই অপরাজিত থাকেন ২২৩ রানে। ১৩৩ বল মোকাবিলায় তার ব্যাট থেকে আসে ২৬টি চার ও আটটি ছক্কা। তার সঙ্গে রোহিতের ১৬১ বলে ২৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভারত পেয়ে যায় রান তাড়ার শক্ত ভিত। গিলের অতিমানবীয় ইনিংসের কারণে পাহাড়সম সংগ্রহ নিয়েও ওয়েস্ট ইন্ডিজ লড়াই জমাতে পারেনি একটুও।

৭২ বলে সেঞ্চুরিতে পা রাখা রোহিত আউট হন ১০১ রানে। তার ৭৫ বলের আক্রমণাত্মক ইনিংসে চার ১০টি ও ছক্কা ছয়টি। এরপর কোহলির আগ্রাসী ইনিংস বড় হয়নি। ১৯ বলে তিনটি চার ও একটি ছয়ে ২৯ রান করে বিদায় নেন তিনি। তারপর রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৩৭ বলে দুটি চারে অপরাজিত ৩১ রান) নিয়ে বাকি পথ পাড়ি দিয়ে ভারকে স্মরণীয় জয় এনে দেন গিল।

বিস্তারিত আসছে…

Most Popular