Wednesday, September 23, 2026
Homeখেলাপ্রথম দিনের ফিটনেস পরীক্ষায় চারজন ফেল, ফল ‘সন্তোষজনক’

প্রথম দিনের ফিটনেস পরীক্ষায় চারজন ফেল, ফল ‘সন্তোষজনক’

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) আগে ফিটনেস পরীক্ষার প্রথম দিনটা মোটামুটি স্বস্তিতেই কাটল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন প্রায় ১৫০ ক্রিকেটার। বিসিবির কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশির ভাগ ক্রিকেটারের ফলই ‘সন্তোষজনক’ হয়েছে। তবে প্রথম দিনে চারজন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। তাঁদের জন্য থাকছে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ।

বুধবার একই ভেন্যুতে হবে ফিটনেস পরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপ। জাতীয় দলের বেশির ভাগ ক্রিকেটার আগেই দুই দফা ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ায় মঙ্গলবারের পরীক্ষায় তাদের দেখা যায়নি। এদিন খুলনা, ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের প্রথম ও দ্বিতীয় একাদশের ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

ক্রিকেটে ফিটনেসকে আরও গুরুত্ব দিতে বছরে দুবার সব ক্রিকেটারের ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বিসিবি। মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষে বিসিবির ট্রেনার ইফতেখার ইফতি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা অন্যান্য বছরের মতোই এনসিএলকে সামনে রেখে ফিটনেস পরীক্ষা নিয়েছি। তবে এবার প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে এগোচ্ছে। আমরা প্রতি বছর সব খেলোয়াড়ের দুটি করে পরীক্ষা নেব, যাতে তারা কোন অবস্থায় আছেন, সেটা জানা যায়।’

পরীক্ষার ফল এক-দুই দিনের মধ্যে দেওয়া হবে জানিয়ে ইফতি বলেন, ‘সম্ভবত এক দিনই লাগবে। ফলাফল দেখার পর আমরা বুঝতে পারব কারও ফিটনেসের অবনতি হয়েছে কি না। যেহেতু এটি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের জন্য, মাঠে নামতে হলে শারীরিক ফিটনেসের একটি ন্যূনতম মান অর্জন করতে হয়। সে কারণেই আমরা এই উদ্যোগ নিচ্ছি।’

এদিন অ্যাথলেটিক ট্র্যাকে ১ হাজার ৬০০ মিটার দৌড়ের সময় নেওয়া হয়েছে। ব্যাটারদের জন্য বিসিবির নির্ধারিত মান ছিল ৭ মিনিট ২০ সেকেন্ড এবং পেসারদের জন্য ৭ মিনিট। বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, প্রথম দিনে অংশ নেওয়া দলগুলোর গড় সময় ছিল প্রায় ৬ মিনিট ৫০ সেকেন্ড।

ফলাফল সন্তোষজনক হলেও চার ক্রিকেটার পরীক্ষায় ফেল করেছেন বলে জানিয়েছেন বিসিবির কর্মকর্তারা। তবে তাঁদের জন্য এখানেই সুযোগ শেষ হয়ে যাচ্ছে না। অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে ১০ দিন পর আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

ইফতি বলেন, ‘কেউ যদি ফেল করে বা হয়তো অসুস্থ ছিল, তাহলে আমরা ১০ দিন পর আবার পরীক্ষা নেব। সেখানেও যদি ফেল করে, তাহলে আরও ১০ দিন পর আরেকটি পরীক্ষা নেওয়া হবে।’

ফিটনেসে দুর্বলতা থাকা ক্রিকেটারদের উন্নতিতে বোর্ডের পক্ষ থেকে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন বিসিবির এই ট্রেনার, ‘যাদের ফিটনেসে দুর্বলতা আছে, তাদের দায়িত্ব আমরা নেব। শেষ পর্যন্ত তারা যদি ফেল করে, তাহলে তো কোথাও যেতে পারবে না। তাই আমরা চেষ্টা করব তাদের পাস করাতে। সে ক্ষেত্রে ফিটনেস ট্রেনিং বাড়ানো হবে। তবে তারা খেলতে পারবে কি না, সেটা বলতে পারছি না, কারণ সেই সিদ্ধান্ত বোর্ডের।’
 

Most Popular