কারাবন্দী ইসকনের সাবেক নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর বিরুদ্ধে ৪ মামলায় জামিন আবেদনের রায়ের তারিখ তিন সপ্তাহ পেছালেন হাইকোর্ট।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চের রায় দেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন মামলা সংক্রান্ত কিছু নথি জমা দেওয়ার জন্য সময় প্রার্থনা করলে আদালত স্থগিতাদেশ দেন।
আদালতকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় প্রয়োজনীয় কিছু নথিপত্র প্রস্তুত করেছে। অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক সেগুলো আদালতে উপস্থাপন করবেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন।
এরপর হাইকোর্ট বেঞ্চ জানান, আসন্ন ছুটি শেষে আদালত খোলার পর এই রায় দেওয়া হবে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দা সাজিয়া শারমিন দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগই আগামী ২২ মে থেকে ছুটি হচ্ছে। আগামী ৭ জুন আদালত পুনরায় খুলবে।
এর আগে, গত ১১ মে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক অতিরিক্ত নথি পেশ করার জন্য সময় চাইলে আদালত ১৪ মে পর্যন্ত রায় স্থগিত করেন।
চিন্ময়ের আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য সময় চেয়ে আবেদনের বিরোধিতা করেছিলেন।
গত ১০ মে একই হাইকোর্ট বেঞ্চ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময়ের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবনের পাশে সংঘর্ষের সময় আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।
শুনানি চলাকালে আইনজীবী অপূর্ব কুমার আদালতকে জানান, চিন্ময় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কারাগারে আছেন। তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ তাই তার জামিন প্রয়োজন।
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে হত্যা ও রাষ্ট্রদ্রোহসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মামলায় তিনি ইতোমধ্যে হাইকোর্ট ও সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন।
এই আইনজীবী আরও জানান, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশটি আপিল বিভাগ স্থগিত করেছেন।
