২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত। ১০ দলের এই টুর্নামেন্টের যৌথ আয়োজক হিসেবে থাকছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়া।
ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ক্রিকইনফো শুক্রবার জানিয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ টি-টোয়েন্টি শেষ হওয়ার পর এবং আইপিএল শুরু হওয়ার আগে যে ফাঁকা সময় থাকবে, বাছাইপর্ব তখন মাঠে গড়াবে। এতে ক্রিকেটাররা ব্যস্ত না থাকায় টুর্নামেন্টটিতে নিজেদের পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগের সবগুলো আসরে অংশ নিলেও তারা ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত সবশেষ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়নি।
গত ৩০ সেপ্টেম্বরের আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, উইন্ডিজ ছাড়া আরেকটি পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে এই বাছাইপর্বে অংশ নেবে আয়ারল্যান্ড।
চলতি বছরের শুরুতে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারী দলগুলোকে আইসিসি জানিয়েছিল যে, টুর্নামেন্টটি ২০২৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। তবে গত সপ্তাহে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আইসিসির সভায় সংশোধিত নতুন সূচিটি চূড়ান্ত করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ভেন্যুর নাম ঘোষণা করা না হলেও আলোচনার সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ক্রিকইনফোকে নিশ্চিত করেছেন যে, আয়োজক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়াকে চূড়ান্ত করেছে আইসিসি।
আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে এসএ টি-টোয়েন্টি। এরপর মার্চের শেষদিকে আইপিএল শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ২০২৪ সালে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে দেওয়া সম্ভাব্য উইন্ডো অনুযায়ী, আইপিএলের ২০২৭ সালের মৌসুম ১৪ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল।
আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হিসেবে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। এদের মধ্যে স্বাগতিক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি গ্রুপ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তবে পূর্ণ সদস্য দেশ না হওয়ায় নামিবিয়াকে বিশ্বকাপের টিকিট অর্জন করতে হবে বাছাইপর্বের বাধা পেরিয়ে।
র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে গ্রুপ পর্বে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে আরও আটটি দল। তারা হলো ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ। বাকি চারটি দলের ভাগ্য নির্ধারিত হবে ১০ দলের এই বাছাইপর্বের মাধ্যমে।
বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নেবে। পয়েন্ট তালিকার পরের শীর্ষ তিনটি দল নতুন কাঠামো অনুসারে, বিশ্বকাপের শুরুতে সুপার সিরিজে অংশ নেবে। সেখানকার বিজয়ী দল পরবর্তীতে গ্রুপ পর্বে বাকিদের সঙ্গে যোগ দেবে।
