Monday, August 17, 2026
Homeবিদেশট্রাম্পের হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড করার হুমকি কতটা বাস্তবসম্মত?

ট্রাম্পের হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড করার হুমকি কতটা বাস্তবসম্মত?

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ‘খুব শিগগির’ মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করবেন।

এর জবাবে ইরান ট্রাম্পের হুমকিকে ‘অর্থহীন’ আখ্যা দিয়েছে। 

এদিকে আজই গত জুনে দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সমন্বিত হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। আক্রান্ত হওয়ার পরপরই বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনে ব্যবহৃত হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয় ইরান।

মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সমঝোতা স্মারক সই হলেও গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক নৌপথটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সামরিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা আজও অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দরকষাকষিতে বিশেষ সুবিধা আদায় করে নিতে এই প্রণালিকে ব্যবহার করছে তেহরান।

অপরদিকে, ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে সামরিক নৌ অবরোধ বা ব্লকেড বজায় রেখেছে, যা দেশটির অর্থনীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে।

এখন বিষয়টি হয়ে দাঁড়িয়েছে এমন—কে কার আগে নতি স্বীকার করবে, সেটাই প্রশ্ন।

ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘দাবা খেলার মতো’।

২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া চলমান যুদ্ধজুড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সামরিক হুমকিরও একটি নির্দিষ্ট ধারা দেখা গেছে।

বিভিন্ন সময়ে তিনি ইরানে হামলার হুমকি দিলেও শেষ মুহূর্তে তা থেকে সরে এসেছেন।

তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই হরমুজ প্রণালিকে নিজেদের ভূখণ্ড করতে পারে? আর এর অর্থই বা কী?

নিউইয়র্কের একটি পুলিশ একাডেমিতে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ‘শিগগির ইরানের পরাজয় হবে এবং তা খুবই করুণভাবে হবে। ওদেরকে হারানোর কাজটি শেষ করার পর আমরা হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব।’

তবে এটুকু বলেই থামেননি ট্রাম্প। দাবি করেছেন, নৌ অবরোধের কল্যাণে ইতোমধ্যে হরমুজ মার্কিন ভূখণ্ডের অংশ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘মূলত বাস্তবতা এটাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অবরোধ চালু আছে। আমরা না চাইলে সেখান দিয়ে কোনো জাহাজ চলতে পারে না।’

অপরদিকে, ইরানের দাবি, জলপথটির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে।

সামুদ্রিক নৌ চলাচলের তথ্য বলছে, অবরোধ সত্ত্বেও কিছু জাহাজ এই নৌপথ দিয়ে চলাচল করছে।

হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণার বিষয়ে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার সাংবাদিক কিম্বার্লি হ্যালকেট বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে, এ কথা বলার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই হেসেছেন এবং তিনিও বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছেন না।’

তিনি বলেন, ‘এগুলো ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমার আওতাধীন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বরাবরই তার প্রতিপক্ষদের ক্ষুব্ধ বা উত্তেজিত করে তুলতে পছন্দ করেন। তার এবারের শিকার ইরান।’

‘তবে যে বিষয়টি আমাদের উল্লেখ করা উচিত, তা হলো—হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ কার্যকর রয়েছে এবং সেটি অব্যাহত আছে। এই দাবি থেকে ট্রাম্প সরে আসছেন না’, যোগ করেন কিম্বার্লি।

ট্রাম্পের বক্তব্যে বেশ কয়েকজন ইরানি কর্মকর্তা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই ক্ষুব্ধ ভাষায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অপরাধী ও ‘বুদ্ধিহীন’ আখ্যা দিয়েছেন।

তিনি ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘অর্থহীন’ বলে মন্তব্য করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ইরানেরই থাকবে।

ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেন, ‘টুইট করে, বিমানবাহী রণতরী দিয়ে, কোনো আদেশ জারি করে কিংবা নির্বাচনী বক্তব্যের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি দখল করা যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ইরানের ছিল, ইরানের আছে এবং ইরানেরই থাকবে। এই প্রণালি কেবল ইরানের নির্দেশেই বন্ধ ও খোলা হবে। যতক্ষণ না আপনি পরাজয়ের বাস্তবতা মেনে নেন এবং কল্পনাপ্রসূত ভ্রম থেকে বেরিয়ে আসেন, ততক্ষণ ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখবে।’

এদিকে ওমানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের যৌথ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান।

সম্প্রতি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরান ও মাসকাটের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা থেকে শিগগির একটি সমাধান আসতে পারে।

ইরানি স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সির (আইএসএনএ) প্রতিবেদনে এ বিষয়টি জানা গেছে।

তবে জলপথটি আবারও সবার জন্য উন্মুক্ত করার বিষয়টি একেবারেই আলাদা বলে মত দেন আরাগচি।

তার মতে, এক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে জুনের সমঝোতা স্মারকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো মেনে চলতে হবে, যার মধ্যে আছে নৌ অবরোধ ও ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।

চলমান যুদ্ধ নিয়ে এটিই ইরানের নতুন অবস্থান।

এখন শুধু জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এসব ছাড় চাইছে, যেগুলো মূলত যুদ্ধ বন্ধের শর্ত ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রেসিডেন্টের একতরফা ঘোষণায় কোনো ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব হস্তান্তর হয় না।

এর আগে ট্রাম্প সেনা পাঠিয়ে উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকি দিয়েছিলেন। জবাবে তেহরান বলেছিল, তাদের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ‘(বন্দুকের) ট্রিগারে আঙুল রেখে’ তাদের জন্য অপেক্ষা করবে।

এর আগে ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের আমলে সহযোগী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ব্রুস ফেইন আল জাজিরাকে বলেছেন, এমনকি মার্কিন সংবিধানেও এ ধরনের ঘোষণার কোনো জায়গা নেই।

সাংবিধানিক আইন অনুযায়ী, ট্রাম্প এককভাবে কোনো ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষমতা রাখেন না।

‘কোনো ভূখণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে সংবিধান অনুযায়ী সিনেটে অনুমোদিত একটি চুক্তি বা আইন প্রয়োজন। লুইজিয়ানা ক্রয়, হাওয়াই বা পানামা খালকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত করা কিংবা স্প্যানিশ-আমেরিকান যুদ্ধের অবসানের সময় পুয়ের্তোরিকো ও ফিলিপাইন অধিগ্রহণের ক্ষেত্রেও এমনটাই হয়েছিল’, মত দেন ব্রুস ফেইন।

ফেইনের মতে, ট্রাম্প যদি ভূখণ্ডটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেন, তাহলে তা ‘জাতিসংঘ সনদসহ আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আগ্রাসী যুদ্ধের অপরাধ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সিডনির ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও সহযোগী ডিন ন্যাটালি ক্লেইন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ট্রাম্পের দাবির সামান্য হলেও গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার একমাত্র উপায় হতে পারে, যদি যুক্তরাষ্ট্র কোনো দখলদার শক্তি হিসেবে প্রণালিটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করে।’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের দখলদার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল, তার সঙ্গে তুলনা করে ন্যাটালি বলেন, ‘তবে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর, অথবা অন্তত দেশটির উপকূলীয় এলাকাগুলোর ওপর স্পষ্ট সামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই জনপ্রিয় নয়। রয়টার্স/ইপসোসের এক সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৩৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধকে সমর্থন করেন।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইরান যুদ্ধের কারণেই ভরাডুবি হতে পারে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির।

কংগ্রেসের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার ওই নির্বাচন বিভিন্ন দিক দিয়ে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের গোলাবারুদের মজুত কমে আসছে।

এর মধ্যে আছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আকাশপথে আসা হামলা ঠেকানোর ব্রহ্মাস্ত্র প্যাট্রিয়ট মিসাইল।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনমতে, ইরানের হামলা থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনা অবস্থানকে সুরক্ষিত রাখতে দেশটির হাতে থাকা প্যাট্রিয়ট মিসাইলের মজুত ফুরিয়ে এসেছে।

অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দামও বেড়েছে এবং এখন প্রতি গ্যালনের দাম গড়ে ৪ ডলারের বেশি—যা মার্কিন নাগরিকদের জন্য বড় একটি সমস্যা।

গত সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রাধিকারের বিষয় এখন তেলের দাম কমানো। দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করা।

তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপরও হামলা চালিয়েছে। মূলত যেসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামো বা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, তারাই আক্রান্ত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের ওপর হামলার লক্ষ্যও আলোচনার টেবিলে ওয়াশিংটনকে চাপে ফেলা।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, সমুদ্র আইনবিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন (ইউএনসিএলওএস)সহ আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে পুরো হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানেরও একক সার্বভৌমত্ব নেই।

দেশটির নিজস্ব সীমান্তসংলগ্ন কিছু উপকূলীয় এলাকার ওপরই কেবল তার সার্বভৌম অধিকার রয়েছে।

ইউএনসিএলওএস উপকূলীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক জলসীমার ওপর তাদের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে।

তবে এ জলসীমা উপকূল থেকে সর্বোচ্চ ১২ নটিক্যাল মাইল (২২ কিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। একই সঙ্গে এ জলসীমা দিয়ে যেকোনো দেশের জাহাজ চলাচলের অধিকারও রয়েছে, যা কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।

হরমুজ প্রণালি ইরান-ওমানের উপকূলের মাঝখানে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থিত।

এর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশটি মাত্র ২১ নটিক্যাল মাইল (৩৯ কিলোমিটার) চওড়া। ফলে দুই দেশের ১২ নটিক্যাল মাইলের আঞ্চলিক জলসীমা এখানে একে অপরের অংশে চলে এসেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান—কেউই এ কনভেনশনে সই বা এর প্রতি সমর্থন জানায়নি।

তা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক প্রণালিসংক্রান্ত এসব নিয়ম বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত আইন হিসেবে গণ্য হয়।

কাতারে জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ বলেন, ট্রাম্প সাধারণত তার নিজ দেশের ভোটারদের, বিশেষ করে তার সমর্থক গোষ্ঠীকে মাথায় রেখে এ ধরনের বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েলিটি টিভি ট্রাম্পকে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছে এবং দিন শেষে তিনি চটকদার মন্তব্য করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।’

মাসগ্রেভ সতর্ক করে বলেন, ‘তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি বরাবরই বড় বড় কথা বলে এসেছেন। কিছু ক্ষেত্রে তার কথাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। কিন্তু তার কথা আক্ষরিক অর্থে নেওয়া যাবে না।’

হরমুজ প্রসঙ্গে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার কোনো উপায় নেই—মত দেন মাসগ্রেভ।

তার মতে, হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করা বাস্তবে এবং আইনগতভাবে অসম্ভব।

তাই এ ক্ষেত্রে ট্রাম্পকে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ নেই।

তবে তার বক্তব্য প্রমাণ করে, ট্রাম্প ইরানের কাছে নতি স্বীকার করতে বা কয়েক মাস ধরে চলা এ যুদ্ধে পরাজয় মেনে নিতে রাজি নন।
 

Most Popular