Tuesday, July 28, 2026
Homeখেলা‘অবাস্তব ও অবিশ্বাস্য লাগছিল’, সেরা গোলের স্বীকৃতি পেয়ে কাব্রাল

‘অবাস্তব ও অবিশ্বাস্য লাগছিল’, সেরা গোলের স্বীকৃতি পেয়ে কাব্রাল

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১০২ মিনিটে করা সেই অবিশ্বাস্য দূরপাল্লার শটে ২-২ সমতা ফিরিয়ে ফুটবল বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সিডনি লোপেস কাব্রাল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ৩-২ গোলে হেরে কেপ ভার্দে বিদায় নিলেও, বিশ্বমঞ্চে এমি মার্তিনেসকে পরাস্ত করা ২৩ বছর বয়সী এই লেফট-ব্যাকের শটটি জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়। ফিফার সমর্থকদের ভোটে ১১টি দুর্দান্ত গোলকে পেছনে ফেলে সেটি নির্বাচিত হয়েছে টুর্নামেন্টের সেরা গোল হিসেবে।

এমন স্বীকৃতির পর উচ্ছ্বসিত ট্রাবজোনস্পোরের এই ডিফেন্ডার ফিফাকে বলেন, ‘বিষয়টি সত্যিই অবাস্তব ও অবিশ্বাস্য লাগছিল। এটি এমন এক সম্মান, যার স্বপ্ন প্রতিটি ফুটবলার দেখে। যারা আমার গোলটিকে সেরা বানাতে ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো ক্লাবের হয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া এবং দেশের হয়ে আরও বড় অবদান রাখা।’

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই দর্শনীয় ফিনিশিং নিয়ে কাব্রাল জানান, এটি তার জন্য খুব অচেনা ছিল না, ‘ওই গোলের ঠিক কয়েক মিনিট আগেই প্রায় একই জায়গা থেকে একটা সুযোগ পেয়েছিলাম। তাই ব্যাপারটা একদম নতুন ছিল না। তবে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে এমন একটা গোল করতে পারা সত্যিই বিশেষ কিছু। এই মুহূর্তটি আমার মনে চিরকাল বেঁচে থাকবে।’

নেদারল্যান্ডসের রদারডামে জন্ম নেওয়া কাব্রালের নাড়ির টান জন্মভূমির সঙ্গে। গোল করার পর মিয়ামির গ্যালারিতে থাকা নিজের বান্ধবীর দিকে ছুটে গিয়ে উদযাপনে মাতেন তিনি। সে স্মৃতি স্মরণ করে কাব্রাল বলেন, ‘গোল করার পরই ইচ্ছা করছিল প্রিয় মানুষদের কাছে ছুটে যাই। বিশেষ করে বান্ধবীর কাছে, যে কি না আমার কঠিন সময়ে সবসময় পাশে ছিল। সবকিছু এত দ্রুত ঘটেছিল যে এখনো ভাবলে বিশ্বাস হতে চায় না।’

অভিষেক বিশ্বকাপেই সাবেক দুই চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়ের গ্রুপে পড়েও অপরাজিত থেকে নকআউট পর্বে উঠে চমক দিয়েছিল কেপ ভার্দে। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া স্পেন পুরো টুর্নামেন্টে একমাত্র কেপ ভার্দের রক্ষণভাগই ভাঙতে পারেনি।

তারকাখচিত আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়া নিয়ে কাব্রালের ভাষ্য, ‘আমরা প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবিনি। মেসি, এঞ্জো বা লাউতারোদের সম্মান করতাম, কিন্তু ভয় পাইনি। আমরা বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছিলাম যে কেপ ভার্দেও ফুটবল খেলতে জানে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এখন বিশ্বের মানুষ আমাদের চেনে, জানে আমাদের সামর্থ্য কতটা। সামনে নতুন প্রজন্ম আসছে, আমরা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরব।’

 

Most Popular